সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

blog লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Blog 005: বিপদনামা

 বিপদনামা (একেলা ভ্রমণের যত কিম্ভুত কিচ্ছা) পনে-একঃ খুলনা টু যশোর পুজার ছুটিতে মামাবাড়ি গিয়েছি। রকেট ট্রেনে করে ফিরছি আমার কম্পিউটার সাথে নিয়ে। যশোর থেকে অল্প দূরে "সিঙ্গিয়া" নামক স্টেশনে ট্রেন থেমে গেল। শুনতে পেলাম, কোর্টচাঁদপুরে ট্রেন একসিডেন্ট হয়েছে। পেলাম ভয়, ট্রেন কখন ছাড়বে কেউ জানে না। বাসায় ফোন দিলাম। আম্মু আমার প্রতিবেশি বন্ধু ফয়সালকে নিয়ে মাইক্রো ভাড়া করে আসলো। আধা ঘন্টা একা লাগেজ নিয়ে সিঙ্গিয়া স্টেশনে বসে ছিলাম। মজার বিষয়, আমি গাড়িতে ওঠার পরপরই ট্রেন ছেড়ে দিল 🐸🐸 একঃ ময়মনসিংহ টু খুলনা বন্ধু Faisal Hassan আমাকে ময়মনসিংহ থেকে বাসে উঠিয়ে দিয়েছে। বস্তুত এটার আমার একা একা দূরে প্রথম ট্যুর ছিলো। রাজশাহী-ময়মনসিংহ ঘুরে খুলনা ফিরব, নিরাপদে দিনের আলোয় আসব বলে "সোনার মদিনা" এর টিকিট নিয়েছিলাম। বাস এর কোয়ালিটি এক্কেবারে মাশাল্লাহ (লক্কর-ঝক্কর)। যমুনা ব্রিজ পার হওয়ার পর বাস চলতে চলতে খট করে শব্দ হলো। বাস থামালো। এক যাত্রী নিচে নেমে চিৎকার করে সবাইকে বলল নিচে নামতে, ধোয়া বের হচ্ছে। সবাই বের হলাম। ড্রাইভার, হেল্পার মিলে নিচে গুতাগুতি করল। আধা ঘন্টা পর বাস ছাড়লো। সুপাইভা...

Blog 004: আত্মকথন

  #আত্মকথন সময় দ্রুত চলে যায়। সম্মান সমাপ্তির আর দেড় বছর আছে। এখনো মনে হয় এইতো সেদিন ভার্সিটি ঢুকলাম। মনের ভিতরে নিজেকে এখনো জুনিয়র জুনিয়র লাগে; অথচ কাল থেকে আমার নিচে তিন ব্যাচ। এখন লিডিং ব্যাচের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব কাঁধে চলে আসছে। কদিন পর ২১ এর সিনিয়ররা (যাদের সাথে আমি বেশি সময় অতিবাহিত করেছি) ২২ সহ সবাইকে বলে যাবে "তোরা ক্যাম্পাসটা/কোরিডোর দেখে রাখিস"। আমি নিজে কেমন সিনিয়র হতে পেরেছি জানি না। ২০২৬ এর শুরু থেকে মনের ভিতরে কেমন একটা শূণ্যতা কাজ করছিলো। জানি না কিসের সংকেত ছিলো...

Blog 004: স্মৃতিচারণ প্রসঙ্গঃ বাংলালিংক

স্মৃতিচারণ প্রসঙ্গঃ বাংলালিংক   আব্বুকে সেই ছোটবেলা থেকে দেখেছি বাংলালিংক আর টেলিটক ইউজ করতে। বাংলালিংক এর সাথে আমার অল্প সুখকর স্মৃতি আছে। বাংলালিংক এর একটা বিখ্যাত এড ছিলো "শুনতে কি পাও" । এটার মিউজিক আর ভিডিও, দুটাই আমার খুব পছন্দের। এটা দেখলে সেই সময়ের কথা মনে পড়ে যখন বাংলাদেশে প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট মানুষের হাতে আসা শুরু করেছে। আমার কাছে সেটা এক নস্টালজিক এরা।  ২০১৫ সালে আব্বুর Samsung Galaxy Core Prime ফোনে COC খেলতাম। তখন বাংলালিংকে ৬০ পয়সায় (হ্যাঁ, আমি খুজে বের করেছিলাম) ২ মেগাবাইট প্যাক কেনা যেত। ডাটা সেভিং মোড অন করে সেই ২ এম্বি দিয়ে আমার এক দিনের কাজ চলে যেত।  একবার একটা গান শোনার খুব শখ হয়েছিলো। আব্বুকে বলে অল্প ডাটা কিনেছিলাম। কিন্ত, স্পিড এতো স্লো ছিলো, ফোন নিয়ে বাসার ভিতর ঘুরতে ঘুরতে আবিষ্কার করলাম যে বাসার বাথরুমে 3G তে ভালো স্পিড পাচ্ছে । এটা সম্ভবত ২০১৭ এর কথা আর গানটা ছিলো সম্ভবত Mere Rashke Qamar (Baadshaho)। সেই থেকে আমি "ভাঙ্গালিংক" ডাকা শুরু করি মজা করে।  গতবছর নিজের নামে একটা বাংলালিংক সিম নেওয়ার আগ্রহ হয়েছিলো। তখন তারা একটা ত্রুটিপূর্ণ এড প...

Blog 003: খুবির ডায়েরি... পর্ব ১

ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস এন্ড সার্কিট এক্সাম দিয়ে আমি আর তূর্য বের হয়েছি। একসাথে হেঁটে খাবা গেট দিয়ে বের হব, এমন সময় আমার স্কুলের সহপাঠী আমিনুলের সাথে দেখা। সে এবার সেকেন্ড টাইম দিয়ে ঢুকেছে। আমাদের সব ব্যাচের এক্সাম চলছে আর তাদের ফার্স্ট ইয়ারের ক্লাস চলে। সে ক্যাম্পাসে আসর পর তার সাথে আমার দেখাই হয়নি। প্রথম দেখায় ওকে দাড় করিয়ে অনেক জ্ঞান দিলাম। বস্তুত, ওকে বলেছি এখন থেকেই পড়াশোনায় গতি আনতে যেহেতু ওর সামনে ডিসিপ্লিন ট্যুর, ২০ ব্যাচের র‍্যাগ, টুর্নামেন্টে আসবে, সেই সময় ওর টাইম নষ্ট হবে, আবার, ওরা ১-২ টার্মে টাইম কম পাবে। এমন সময়ে মিফাদের সাথেও দেখা, তিন জিলাস্কুলিয়ান (তাও এক গোয়ালের/সেকশনের) কাকতালীয় পুনর্মিলন। কিছুক্ষণ পরে ওকে বিদায় দিলাম। আমি আর তূর্য হেঁটে হেঁটে জিমনেশিয়াম পার হচ্ছি। আমি বললাম "কিছুটা ডোপামিন রিলিজ করলাম, কেউ রিলিজ করে ধোয়া টেনে, কেউ করে জ্ঞান দিয়ে..."

ব্লগ০০১ঃ দেশের জন্য কিছু করার উপযুক্ত সময়!

 অবশেষে সোশাল মিডিয়া ছেড়ে ব্লগিং ধরলাম। আমার নিজেরো ধৌর্য কম বলে লেখা ছোটই রাখব। এই লেখাটি যখন লেখা তখন আমার ক্যাম্পাসে পুজার ছুটির শেষে ঐকান্তিক-১৯ ব্যাচের র‍্যাগ কন্সার্ট হচ্ছে ( ২৮ অক্টোবর ২০২৩)। আজ রাতেই আমার ছুটি শেষ, এই পুজার ছুটিই ছিল আমাদের ভার্সিটি লাইফের প্রথম লম্বা ছুটি।  গতকাল পুজার অষ্টমীর দিন গিয়েছিলাম দীপ্তের গ্রামের বাড়ি, ভবদহ। ভবদহ নামটা যশোরের সবার কাছেই  পরিচিত। পূজা উপলক্ষ্যে বন্ধুদের দাওয়াত দিয়েছি। পাশাপাশি, ডাক্তার বন্ধুদের সুবাদে রমেক মেডিসিন ক্লাবের উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পে উপস্থিত থাকার সুযোগ হয়েছে। দিনটা ভালো লেগেছিলো কেননা বেশ কয় রাতজাগা দিন কাটানোর পর একটু গ্রাম-প্রকৃতির কাছে গিয়েছিলাম। সেদিনের অভিজ্ঞতা আমাকে কিছু একটা উপলব্ধি করতে শিখিয়েছে। আমাদেরকে একজন জিজ্ঞেস করেছিলো ব্লাড গ্রুপ চেঞ্জ হয় কি না। এর পর উপলব্ধি হল, এই সবুজ বয়সে দেশের জন্য কিছু করা দরকার। আমার ডাক্তার বন্ধুরা ডাক্তারি সেবা দিয়ে ছাত্র জীবনে দেশের সেবা করে। আমরা কম্পিউটার প্রকৌশলী হয়ে কে কম্পিউটার আর প্রযুক্তির জ্ঞান বিতরণের ক্ষেত্রে নিজেদেরকে নিয়োজিত করতে পারি না ......